রাফি আহাম্মেদ উল্লাসের কবিতা “টুম্পা”

Spread the love

খোলা ডেস্ক:

বেনারসী পরিয়ে
সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে,
তারাপিঠে গিয়ে করেছিলাম বিয়ে,
রাতে ফুলশয্যা হলো তারপর সকাল হলো
ঘুম থেকে উঠে দেখি
বউ পালালো জানলা দিয়ে ..
বউটা চলে গেল, মনটা ভেঙে গেল
প্রেস্টিজ যা ছিল পাংচার হয়ে গেল।
রেললাইনে গলা দেবো
তখন আমি ভেবেছিলাম,
তারপর হঠাৎ করেই
লাইফে আমার টুম্পা এলো।
ও টুম্পা সোনা দুটো হাম্পি দেনা
আমি মাইরি বলছি আর খৈনি খাব না,
চাঁদনী রাতে আমি টুম্পার সাথে
যাবো ডিনার ডেটে পোচ মামলেট খেতে ..
টুম্পা
নাকে নাক ঘষে দেনা,
টুম্পা
তুই আমার পুঁচকি সোনা,
টুম্পা
তোকে নিয়ে দীঘা যাবো,
টুম্পা
গ্যাঁদা ফুলে খাট সাজাবো টুম্পা ..
এই টুম্পা আয় আয় !
টুম্পা আজা মেরি পাস
থোড়ি চ্যানসে লে তু শ্বাস,
আমি হেরে যাওয়ার আগেই
উল্টে দেবো তাস,
পাল্টে দেব বাজি, নমস্কার পাজি
সব স্বপ্ন হবে সত্যি
বলছে মিঠুন চক্রবর্তী।
মিঠুন দা, নাচুন না
এই মিঠুন দা নাচুন না।
আমি গয়া গিয়ে
মাথার চুল কামিয়ে,
আগের বউয়ের নামে
এসেছি পিন্ডি দিয়ে।
সামনের ভাদ্র মাসে ছাঁদনা তলায় বসে
ইংলিশে মন্ত্র পড়ে
টুম্পাকে করবো বিয়ে।
ও টুম্পা সনম তুঝে মেরি কসম
আমি বস্তির বাদশা, তুই আমার বেগম।
কোনো মধুর রাতে আমি টুম্পার সাথে
বসে বাদাম খাবো আমার টালির ছাতে ..
টুম্পা
নাকে নাক ঘষে দেনা,
টুম্পা
তুই আমার পুঁচকি সোনা,
টুম্পা
তোকে নিয়ে দিঘা যাবো,
টুম্পা
গ্যাঁদা ফুলে খাট সাজাবো টুম্পা ..

কবিতাটি লিখেছেন রাফি আহাম্মেদ উল্লাস। তিনি রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •