শেষ ওভারে হারল বাংলাদেশের যুবা: সিরিজ জিতল ৩-২ ব্যবধানে

Spread the love

সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে জিতেই সিরিজ নিশ্চিত করা বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল শেষ পর্যন্ত সিরিজটা জিতল ৩-২ ব্যবধানে। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের শেষ উইকেট ফেলতে আফগানদের মানকাডিংয়ে ম্যাচটা হেরে যাওয়ার পর আজ শেষ ওভারে গিয়ে হারল মেহরব হোসেনের দল।

সিরিজজুড়েই ব্যাটিংটা ভুগিয়েছে বাংলাদেশের যুবাদের। আজও ব্যতিক্রম হয়নি। ওপেনিং জুটিতে মাহফিজুল ইসলাম ও ইফতিখার হোসেন ৪৮ রান তুললেও এরপর নেমেছে ধস। ১৬ রানের ব্যবধানেই প্রথম ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে মানকাড করে আলোচনায় আসা বাঁহাতি স্পিনার নাঙ্গেয়ালিয়া খারোতি প্রথম ব্রেক থ্রু দিয়েছেন আফগানদের।

পরের ৩ উইকেটই নিয়েছেন ডানহাতি পেসার বিলাল সামি। মাঝে নাভীদের ২ উইকেটে আরও চাপে পড়া বাংলাদেশ একটু এগিয়েছে নাইমুর রহমানকে নিয়ে ৮ম উইকেটে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ৪৭ রানের জুটিতে। ৮২ বলে ৩৭ রান করেছেন আব্দুল্লাহ, ৪৯ বলে ১৬ রান নাইমুরের। অবশ্য ১ রানের ব্যবধানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ অলআউট হয়ে গেছে ১৪ বল বাকি থাকতেই। বিলালের পর নাঙ্গেয়ালিয়াও নিয়েছেন ৩টি উইকেট, ২টি করে নিয়েছেন নাভীদ ও শহীদুল্লাহ হাসানি।

রান তাড়ায় শুরুটা তেমন ভালো হয়নি আফগানদের। তৃতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন আশিকুর। ২৪ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় আফগানরা, পরের উইকেটও নিয়েছেন আশিকুরই। তবে তিনে নামা ইশাক জাজাইয়ের ফিফটিতে এক প্রান্ত আগলে রাখতে পেরেছে আফগানিস্তান, রান তাড়ায় নিয়েছে নিয়ন্ত্রণ।

অবশ্য ৩১তম ওভারে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরেছেন জাজাই, আশিকুরের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৭৯ বলে করেছেন ৫২ রান। তবে জয় থেকে ৫০ রান দূরে থাকতে নাঙ্গেয়ালিয়াও ফিরলে ভালোভাবে আবারও লড়াইয়ে ফেরে বাংলাদেশ। কিন্তু ইজাজ ও নাভীদের জুটি আবারও হতাশ করেছে তাঁদের, দুজন মিলে সপ্তম উইকেটে যোগ করেন ৪৩ রান।

এরপরই তো আশিকুরের বলে নাভীদের সে ছয়। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলটা ডট হলেও তৃতীয় বলে নেওয়া সিঙ্গেলে আফগানদের জয় নিশ্চিত করেন নাভীদ। শেষ পর্যন্ত এ ডানহাতি অপরাজিত ছিলেন ৪৯ বলে ২৯ রান করে।

বাংলাদেশের দিনের সেরা বোলার অবশ্য আশিকুরই, ৩৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মুশফিক হাসান, নাইমুর ও আইচ মোল্লা।

এ সফরে একটা যুব টেস্টও খেলবে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯। সে ম্যাচটা শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর, একই ভেন্যুতে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •